১০০ ফুট উঁচু থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিশ্বরেকর্ড!

চূড়ান্ত উত্তেজনা আর রোমাঞ্চের খোরাক হিসেবে গত কয়েক বছরে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বান্‌জি জাম্পিং। আসুন এবার জেনে নেই দুনিয়া-কাঁপানো এ অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস সম্পর্কে আরো কিছু অভিনব তথ্য।

 
১) এই উত্তেজক খেলায় ব্যবহৃত ইলাস্টিকের দড়ি থেকেই তার নামকরণ হয়েছে। সাধারণত এই ধরণের দড়ি দিয়ে বিমানযাত্রীদের মালপত্র বাঁধা হয়। কয়েক হাজার সূক্ষ্ম ইলাস্টিক সুতো দিয়ে দড়িটি তৈরি করা হয়। ৮০-র দশকে প্রথম এই দড়ি তৈরি করেন নিউজিল্যান্ডের দুঃসাহসী পর্যটক তথা উদ্যোগপতি অ্যালান জন হ্যাকেট। বান্‌জি জাম্পিং-এর বাণিজ্যিকরণও হয় তার হাত ধরেই।

 

২) প্রাচীন কালে প্রশান্ত মহাসাগরের ভানুয়াটু দ্বীপপুঞ্জে উঁচু জায়গা থেকে এমন ঝাঁপ দেওয়ার রীতি চালু ছিল। পেন্টেকোস্ট দ্বীপের সদ্য যৌবনপ্রাপ্ত পুরুষরা কাঠের উঁচু মঞ্চ থেকে ঝাঁপ দেওয়ার সময় পায়ে লতা বেঁধে দেওয়া হতো। লতার অন্য প্রান্ত পাটাতনের সঙ্গে বাঁধা থাকত।

 

 

৩) ১৯৭৯ সালের ১ এপ্রিল ব্রিটেনের ক্লিফটন সাসপেনশন ব্রিজ থেকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ সাহসী ছাত্র আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রথম বান্‌জি জাম্প করেন। ঝাঁপ দেওয়ার সময় সুরক্ষার জন্য তারা রাবার শক কর্ডস ব্যবহার করেন। তবে ঝাঁপ শেষ হওয়ার পরে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

 

৪) বিশ্বের উচ্চতম কমার্শিয়াল বান্‌জি জাম্পিং-এর রেকর্ড গড়া হয়েছিল চীনের ম্যাকাউ টাওয়ারে। ২০১২ সালের ২২ মার্চ ২৩৩ মিটার উঁচু স্তম্ভটি থেকে ঝাঁপ দিয়ে নজির গড়েন নিউজিল্যান্ডবাসী অ্যালান জন হ্যাকেট।

 

 

৫) ৯৬ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লোকর‌্যান্স ব্রিজের ১৬০ মিটার উচ্চতা থেকে ঝাঁপ দিয়ে বিশ্বের প্রবীনতম বান্‌জি জাম্পার হিসেবে রেকর্ড গড়েন মোর কিট। ‘আতঙ্ক দূর করতেই তিনি এই ঝুঁকি নিয়েছিলেন বলে পরে জানান কিট। আবার দক্ষিণ আফ্রিকাতেই ১০০ ফিট উঁচু থেকে কন্ডোমের তৈরি দড়ি নিয়ে ঝাঁপ দিয়ে ভিন্ন রেকর্ড গড়েন কার্ল ডায়োনিসিও। সূত্র: এই সময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *